সাধারণ table salt বা সাদা লবণ সাধারণত বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়, যেখানে এর প্রাকৃতিক খনিজ উপাদানগুলো নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে, আমাদের পিংক সল্ট সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে সংগ্রহ করা হয় এবং এতে কোনো কৃত্রিম রং, প্রিজারভেটিভ বা কেমিক্যাল মেশানো হয় না। এর গোলাপি রঙের কারণ হলো এতে থাকা প্রাকৃতিক আয়রন অক্সাইড। এটি শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, বরং এর প্রাকৃতিক খনিজ উপাদানগুলো শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য কাজ করে।
ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য: পিংক সল্টে থাকা সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের মতো খনিজগুলো শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি বিশেষত গরম আবহাওয়ায় বা শারীরিক পরিশ্রমের পর শরীরকে সতেজ ও আর্দ্র রাখে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: সাধারণ সাদা লবণে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে যা রক্তচাপ বাড়াতে পারে। পিংক সল্টে সোডিয়ামের পরিমাণ কম এবং এতে থাকা অন্যান্য খনিজগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
হজম ও ডিটক্সিফিকেশন: এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। ফলে লিভার ও কিডনির কার্যকারিতা বাড়ে।
ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য: পিংক সল্ট বাথ সল্ট হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা ত্বকের কোষকে rejuvenate করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে। এটি চুলের গোড়াও মজবুত করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এতে থাকা খনিজগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
রান্নায়: আপনার প্রতিদিনের রান্না, সালাদ, স্যুপ এবং ফলের ওপর এটি ব্যবহার করুন। সাধারণ লবণের বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করলে স্বাদ এবং স্বাস্থ্য দুটোই সুরক্ষিত থাকবে।
ডিটক্স ওয়াটার: এক গ্লাস পানিতে এক চিমটি পিংক সল্ট মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করলে শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার হয়।
বডি স্ক্রাব: মধুর সাথে মিশিয়ে এটি ত্বকের প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।