স্বাস্থ্যবিধ দের মতে কুমরো বড়ি আমাদের হজম শক্রি বাড়াতে সাহায্য করে।
এছাড়া বড়ি তে ব্যবহার করা কুমড়োই রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল, শর্করা এবং ফাইবার যা আমাদের শরীরের জণ্য অনেক উপকারি।
কুমড়ো বড়ি রুচি বৃদ্ধি তেও সাহায্য করে থাকে।
কুমড়ো বড়ির সঠিক টেস্ট আপনি তখন ই পাবেন যখন আপনি সঠিক নিয়মে এটি রান্না করতে জানবেন। তাই কুমড়ো বড়ির সঠিক টেস্ট পাওয়ার জণ্য প্রথমে একটি ফ্রাইপেনে হালকা আচে তেল সহ বড়ি গুলো ভেজে নিবেন। এরপর সাধারনত যেভাবে তরকারি রান্না করা হয়, সেইম প্রসেসেই রান্না করে নিতে হবে। রান্না শেষ হওয়ার ১০/১৫ মিনিট আগে ভেজে রাখা সেই কুমড়ো বড়ি তরকারির উপরে রেখে ফ্রাইপেনের ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ব্যাস ১৫ মিনিট পর রেডি আমাদের মজাদার কুমড়ো বড়ির তরকারি।
কুমড়ো বড়ি তৈরির মুল উপাদান হলো মাশকালাই ডাল এবং চাল কুমড়া। আমরা সর্বপ্রথম ভালো মানের মাশকালায় ডাল নির্বাচন করা থাকি, সেই সাথে গাছের সেরা পরিপক্ত চালকুমড়া দিয়ে এই বড়া তৈরি করি।
মাশকালায় ডাল পাটা/ বাটুনি তে মিহি ভাবে পিষে যেই বড়া বানানো হয় এটার স্বাদ সবয়েছে বেশী। প্রাচীনকালে ঠিক এভাবেঈ এই বড়ি গুলো তৈরি করা হতো। বর্তমানে আধুনিকতার ছোয়াতে এখন শিলপাটা কেউ ব্যবহার করে না বললেই চলে। তবে কিছু খাবারে গ্রামীন ছোয়া বেশ ভালো লাগে। তাই আমাদের এই কুমড়ো বড়ি আমরা সম্পূর্ন সনাতন পদ্ধতিতে অর্থাৎ শিলপাটায় মিহি করে বেটে নিয়ে এই বড়া গুলো তৈরি করা হয়।
বাজারে কিনতে পাওয়া বড়ি রান্নার পরে ফুলতে চায় নাহ। আর কুমড়ো বড়ি ঠিকমতো না ফুললে এটি খেতেও মজা লাগে নাহ ।অন্যদিকে অনেক সময় অপরিপক্ক কুমড়ো ব্যবহার করার ফলে কুমড়ো বড়ি খেতে নোনটা মনে হয় আবার অনেক অসাধু ব্যবসায়ি কুমড়োর বদলে কাচা পেপে, মূলা ও বাধাকপি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু শুধু মাত্র মাশকলায় ডাল এবং কুমড়ো বড়া দিয়ে আমাদের হোম মেইড তৈরি এই কুমড়ো বড়ি রান্নার পরে দ্বিগুন ফুলে উঠবে,সেই সাথে এতে কোনো রকম নোনটা বা তেতো ভাব থাকবে নাহ।
কুমড়ো বড়ি তৈরি থাকে শুরু করে প্যাকেজিং পর্যন্ত আমরা সর্বোচ্চ কোয়ালিটি মেইনটেইন করে থাকি,তাই আপনি পাবেন ১০০% ভেজাল্মুক্ত ও সুস্বাদু কুমড়ো বড়ির নিশ্চয়তা।